প্রিয় বরিশাল - খবর এখন স্মার্ট ফোনে প্রিয় বরিশাল - খবর এখন স্মার্ট ফোনে বরিশালের অভিনব কায়দায় পান-সিগারেটের ‘হোম ডেলিভারি’! | প্রিয় বরিশাল বরিশালের অভিনব কায়দায় পান-সিগারেটের ‘হোম ডেলিভারি’! | প্রিয় বরিশাল
রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৫:২০ অপরাহ্ন
প্রিয় বরিশাল :
খবর এখন স্মার্ট ফোনে...

বরিশালের অভিনব কায়দায় পান-সিগারেটের ‘হোম ডেলিভারি’!

প্রিয় ডেস্ক
  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ৭ জুলাই, ২০২১

 

বরিশালে অভিনব কায়দায় পান সিগারেটের বিক্রি চলছে। লকডা‍উনের প্রভাবে দোকানপাট বন্ধ থাকায় ‘হোম ডেলিভারি’ চলছে পান-সিগারেটের। দোকানিকে ফোন দিলেই বাসায় পৌঁছে যাচ্ছে পণ্য দুটি। কখনও বা নিজ বাসার সামনে বসে সিগারেট বিক্রি করছেন দোকানিরা। নগরীর পাড়া-মহল্লাগুলোতে ‍এ পদ্ধতিতে‍ই মিটছে ক্রেতা-বিক্রেতার চাহিদা।

অপরদিকে লুকিয়ে চুরিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছেন মোবাইল এবং ইলেকট্রনিক পণ্যের ব্যবসায়ীরা। নগরীর কাঠপট্টি, গির্জামহল্ল‍া, পোর্টরোড, ফলপট্টি ‍এলাক‍ায় ঘুরে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। প্রথমে ফোনে যোগাযোগ, ‍এরপর শাটার বন্ধ করে গোপনে চলছে ‍এসব ‍এলাকার

ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক কার্যক্রম। কঠোর লকডাউনের মধ্যেও এমন অভিনব পদ্ধতিকে ডিজিটাল ব্যবসা হিসেবে অভিহিত করছেন অনেকে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে নগরীর ব্যাপ্টিস্ট মিশন ‍এলাকার বেশ কয়েকজন যুবক ও মাঝবয়সী ব্যক্তি জানান, লকডা‍উনের কারণে কেবল মুদি, ফার্মেসি ছাড়া অন্যসব দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। বিশেষ করে চায়ের দোকানগুলোর ‍উপর কড়া পুলিশি নজরদারি রয়েছে। আর চায়ের দোকানগুলোই মূলত পান-সিগারেট বিক্রি করে। কিন্তু ‍এখন বেচা বিক্রি বন্ধ। তাই প্রয়োজন পড়লেই দোকানির ব্যবহৃত মোবাইলে ফোন দেই। এরপর সে বাসার সামনে ‍এসে সিগারেট-পান দিয়ে যায়। কখনও বা তার বাসায় গিয়ে নিয়ে আসতে হয়। আর ‍এরফলে স্বাস্থ্যবিধি ‍উপেক্ষিত হচ্ছে না বলে দাবি তাদের।

এদিকে নগরীর বাণিজ্যিক ‍এল‍াকায় চলছে আরও ‍এক অভিনব পদ্ধতি। গোপনে ব্যবসা পরিচালনা করছেন মোবাইল, জামাকাপড় ‍এবং ইলেকট্রনিক পণ্যের দোকানিরা। জানা গেছে, ফোনের মাধ্যমে পূর্বেই ক্রেতা যোগাযোগ করেন বিক্রেতার সাথে। ‍এরপর ক্রেতা ‍এলেই দোকানে ঢুকিয়ে দিয়ে বাইরে থেকে শাটার বন্ধ করে দেওয়া হয়। আর ‍এসময় বাইরে পাহারায় থাকেন বেশ কয়েকজন কর্মচারী।

নগরীর কাঠপট্টি, গির্জামহল্ল‍া, পোর্টরোড, ফলপট্টি ‍এলাক‍ায় ঘুরে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

কাঠপট্টির জনৈক ক্রেতা জানান, বাসার ফ্যানটি নষ্ট হয়ে গেছে। নতুন ফ্যান কেনা জরুরি। ‍এই

দোকানের ‍একটা ভিজিটিং কার্ড সাথে ছিল। সেখানে ‍উল্লিখিত মোবাইল নম্বরে প্রথমে যোগাযোগ করি। ‍

এরপর খোলা থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে ফ্যান কিনতে দোকানে ‍এসেছি। আলাপকালে বিক্রেতারা জানান, লকডাউনে দোকান খোলার বিষয়ে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। প্রথমদিকে সেসব নির্দেশনা পালন করেছি। কিন্তু লকডাউনের সময় আবারও বাড়ানো হচ্ছে। ‍ঈদ-উল-আজহা আসন্ন। এদিকে দোকানভাড়া পরিশোধ করতে হচ্ছে নিয়মিত। রয়েছে সংসার খরচ। আর ক্রেতাদের চাহিদা তো আছেই। তাই বাধ্য হয়েই ‍এভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে হচ্ছে। তবে স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন বলে দাবি করেছেন তারা।

প্রসংগত, করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় চলতি মাসের ১ তারিখ থেকে লকডা‍উন চলছে বরিশালে। ‍এরই

ধারাবাহিকতায় লকডা‍উন ‍এবং স্বাস্থ্যবিধি পালনে বরিশাল মহানগরীতে দোকানপাট বন্ধ রাখার বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা রয়েছে প্রশাসনের।

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © priyobarishal.com-2018-2021
themesba-lates1749691102