প্রিয় বরিশাল - খবর এখন স্মার্ট ফোনে প্রিয় বরিশাল - খবর এখন স্মার্ট ফোনে অপারেশন নোয়াখালী: পোস্টমর্টেম রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে | প্রিয় বরিশাল অপারেশন নোয়াখালী: পোস্টমর্টেম রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে | প্রিয় বরিশাল
শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ০৪:৩০ অপরাহ্ন
প্রিয় বরিশাল :
খবর এখন স্মার্ট ফোনে...

অপারেশন নোয়াখালী: পোস্টমর্টেম রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ১২ মার্চ, ২০২১
অপারেশন নোয়াখালী: পোস্টমর্টেম রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে

নোয়াখালী নিয়ে আওয়ামী লীগ বড় ধরনের পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে। নোয়াখালীর গত তিন মাসের ঘটনাপ্রবাহ, চুলচেরা বিশ্লেষণ করে এ সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার জন্য কারা দায়ী, কারা উস্কানি দিয়েছে এবং আওয়ামী লীগের কারা কোন পক্ষে কাজ করেছেন ইত্যাদি সব আদ্যোপান্ত বিবরণ প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেওয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে যে, আমাদের সভাপতি ঘটনাপ্রবাহ গুলোকে চুলচেরা বিশ্লেষণ করেছে এবং একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত দিয়েছে। এসব তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে আওয়ামী লীগ নোয়াখালীর ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে যেতে পারে বলে একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে যে, নোয়াখালীর পোস্টমর্টেম রিপোর্টে দুই পক্ষেরই উস্কানি এবং দায়িত্বহীনতার কথা বলা হয়েছে, দুই পক্ষেরই চেইন অফ কমান্ড নষ্টের কথা বলা হয়েছে এবং এই ঘটনার পেছনে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ আছে কিনা সেটিও বিচার বিশ্লেষণ করে দেখা হয়েছে। তবে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের চেয়েও নোয়াখালীর রাজনীতিতে আধিপত্য বিস্তারের যে প্রয়াস সেই প্রয়াসের কারণেই এই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটেছে বলে রিপোর্টে বলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে যে, এই রিপোর্টের প্রেক্ষিতে দুটি বিকল্প নিয়ে আওয়ামী লীগ কাজ করছে। প্রথম বিকল্প হলো, এদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা। যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের দল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা এবং নোয়াখালীর যে বর্তমান কমিটি আছে সেই কমিটি বাতিল করে দেওয়া। দ্বিতীয় বিকল্পের মধ্যে রয়েছে, যেহেতু দুই পক্ষেরই শীর্ষ নেতারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তাই এখানে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে গেলে এক ধরনের সাংগঠনিক সমস্যা তৈরি হবে এবং নোয়াখালী আওয়ামী লীগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সেজন্য উভয়পক্ষকে সতর্ক এবং ভৎসনা করে শেষবারের মত তাদেরকে সতর্ক করে দেওয়া। ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে মর্মে তাদের সাবধান করে দেওয়া। পাশাপাশি পরবর্তী নির্বাচন এবং অন্যান্য কার্যক্রমে যারা আওয়ামী লীগের বিভক্তি, অনৈক্য সৃষ্টির জন্য জড়িত ছিল তাদের বিরুদ্ধে নীরব সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা। অর্থাৎ তাদেরকে ভবিষ্যতে মনোনয়ন না দেওয়া এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে না রাখার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

তবে আওয়ামী লীগের সূত্রগুলো বলছে যে, আইন নিজস্ব গতিতে চলবে। এখানে যে দুটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে এই দুটি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারাই জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সরাসরি জড়িতদের কেউ যদি আওয়ামী লীগের কোন প্রভাবশালী ব্যক্তিও হন, তিনিও ছাড় পাবেন না। আজ দ্বিতীয় দিনের মতো নোয়াখালী নিয়ে কথা বলেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি জানিয়েছেন যে, নোয়াখালীর ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এই বক্তব্য রেখেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তবে আওয়ামী লীগের অধিকাংশ নেতাই প্রথম দিকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © priyobarishal.com-2018-2021
themesba-lates1749691102