প্রিয় বরিশাল - খবর এখন স্মার্ট ফোনে প্রিয় বরিশাল - খবর এখন স্মার্ট ফোনে ভাই ব্রাদাররাই সর্বনাশ করছে | প্রিয় বরিশাল ভাই ব্রাদাররাই সর্বনাশ করছে | প্রিয় বরিশাল
শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ০৫:২৯ অপরাহ্ন
প্রিয় বরিশাল :
খবর এখন স্মার্ট ফোনে...

ভাই ব্রাদাররাই সর্বনাশ করছে

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
ভাই ব্রাদাররাই সর্বনাশ করছে

সরকারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যারা অপপ্রচার করছে, সরকারের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য রাখছে, তারা বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগের কারো না কারো ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধব, ব্যবসায়ীক পার্টনার ইত্যাদি ছিলেন বলে দাবি করেছে। তারা আওয়ামী লীগের সাথে বিভিন্ন সময়ে ঘনিষ্ঠ ছিলেন বলেও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা দাবি করছেন। যাদের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের কথা বলা হচ্ছে তারা কেউ তা স্বীকার করছেন না। সাম্প্রতিক সময়ে ইউটিউবে সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছেন তাজ হাশমী নামের তথাকথিত একজন বিশেষজ্ঞ। তাজ হাশমী প্রতিটি টকশোতে নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টার বন্ধু হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি সবগুলো বক্তব্যেই প্রথমে তার বন্ধুকে স্মরণ করেন। ঐ উপদেষ্টা ছাত্রজীবনে তার বন্ধু ছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন। উপদেষ্টার সঙ্গে তাজ হাশমীর কি সম্পর্ক সেটি আলোচনার বিষয় নয় কিন্তু সত্যি সত্যি যদি তাজ হাশমী উপদেষ্টার বন্ধু হন তাহলে উপদেষ্টার পক্ষ থেকেও একটি বক্তব্য আসা উচিত যে তিনি তার বন্ধু কিনা। যদি বন্ধু না হয়, তাহলে সেই ব্যাপারে তার বক্তব্য আসা উচিত।

সেনাবাহিনী থেকে বিএনপি-জামায়াত জোট আমলে দুর্নীতির দায়ে বরখাস্তকৃত কর্নেল শহীদ নিজেকে সেনাপ্রধানের বন্ধু হিসেবে পরিচয় দেন। একই সঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টার সঙ্গে তাঁর ব্যবসায়িক সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেন। যাদের সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা তিনি বলেছেন, তাদের সাথে তার আদৌ সম্পর্ক আছে কিনা সেটি যেমন খতিয়ে দেখা দরকার, তেমনি তাদের পক্ষ থেকে প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে জনগণকে জ্ঞাত করা উচিত।

ডেভিড বার্গম্যানের সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নেই। ইতিমধ্যে সকলেই জানে যে, ডেভিড বার্গম্যান ড. কামাল হোসেনের জামাতা। ড. কামাল হোসেনের জামাতা হয়েও তিনি স্বাধীনতাবিরোধী, যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষ নেন এবং বঙ্গবন্ধু বিরোধী বক্তব্য রেখেছেন। এই থেকে ড. কামাল হোসেনের রাজনৈতিক অবয়ব জাতির সামনে পরিষ্কার হয়েছে।

তাসনিম খলিল নিজেকে বিএনপি বিরোধী সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন এবং আওয়ামী লীগের কার কার সঙ্গে সম্পর্ক আছে তারও একটি ফিরিস্তি দেয়। দেখা যায় যে, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সবসময় ষড়যন্ত্র হয়েছে ভেতর থেকে। বাহিরের লোকেরা আওয়ামী লীগের যতটা ক্ষতি করেছে, আওয়ামী লীগের ভিতরের লোকরাই তার চেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে। ৭৫ এর ১৫ই আগস্টের ঘটনা ছিল আওয়ামী লীগের জন্য সবচেয়ে বড় ট্রাজেডি। ৭৫ এর ১৫ই আগস্টের ঘটনা যদি আমরা বিশ্লেষণ করি তাহলে দেখা যায় যে, খন্দকার মোশতাক, তাহের আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর যারা খুনি, এদের মধ্যে কয়েকজন বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ছিল। বঙ্গবন্ধুর ভবনে তাদের যাওয়া আসা ছিল। এরাই সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। এখন যারা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতা, উপদেষ্টার বন্ধু, ভাই বলে পরিচয় দিচ্ছেন, তাদের সাথে এই সমস্ত আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের সম্পর্ক কি সেটাও যেমন দেখা উচিত, যাদের সঙ্গে সম্পর্কের কথা বলা হচ্ছে তাদেরও পরিষ্কার করে বলা উচিত যে ঐ সমস্ত দুর্বৃত্ত, অপপ্রচারকারীদের সঙ্গে তাদের কোন সম্পর্ক নেই।

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © priyobarishal.com-2018-2021
themesba-lates1749691102